.
বঙ্গোপ’সাগরে সৃষ্ট বি’শেষ আ’বহাওয়া পরি’স্থিতির অবনতি অব্যাহত আছে। এখন পর্যন্ত এটি লঘু’চাপে পরিণত হওয়ার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। উত্তর আন্দা’মান সাগর ও তৎসং’লগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপ’সাগর এলাকায় শেষপর্যন্ত তা লঘু’চাপে পরিণত হতে পারে। যা পরে ঘূর্ণি’ঝড়ে পরিণত হতে পারে।
এটি ২৬ মে সন্ধ্যা নাগাদ ভারতের উড়ি’ষ্যা-পশ্চিম’বঙ্গ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর প্রভাব বাংলা’দেশের খুলনা থেকে চট্টগ্রাম উপকূল বিস্তৃত হতে পারে। যদি এটি ঘূর্ণি’ঝড়ে রূপান্তরিত হয় তাহলে এর নাম হবে ‘ইয়াস’। ওমানের দেওয়া আরবি শব্দের এই নামের অর্থ হচ্ছে ‘মরিয়া’।
এই পরি’স্থিতির মধ্যেই দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে মৃ’দ্যু থেকে মাঝা’রি রকমের তাপ’প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সাধারণত যে কোনো ঘূর্ণি’ঝড় প্রচুর বৃষ্টিপা’ত নিয়ে আসে। সেই হিসেবে ইয়া’সের আগ’মনে তাপ’প্রবাহ কিছুটা কমতে পারে। সাধার’ণত সমু’দ্রের পা’নির তাপমাত্রা ২৮ ডি’গ্রি সেলসি’য়াস অতিক্রম করলে ঘূর্ণি’ঝড় তৈরি হয়ে থাকে। সে কারণে বিদ্য’মান তাপপ্রবা’হের সঙ্গে লঘুচাপ-নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণিঝড়ের সম্পর্ক আছে বলে জানান বিশে’ষজ্ঞরা।
বুয়ে’টের পা’নি ও ব’ন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টি’টিউ’টের অধ্যাপ’ক ড. ”একেএম সাইফুল ইসলাম” বলেন, একটি ঘূর্ণি’ঝড় তৈরির বিভিন্ন পর্যায় আছে। প্রথমে বি’শে’ষ পরিস্থিতিটা লঘু’চা’পে রূপ নেয়। যা পর্যায়ক্রমে নিম্ন’চাপ এবং গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়। এরপর ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়। সম্ভা’ব্য ঘূর্ণি’ঝড়টি ২৫ মে’র দিকে শক্তি’শালী রূপ লাভ কর’তে পারে। আজকে দিনের যে কোনো সময়ে লঘুচাপটি তৈরি হতে পারে। তিনি কম্পি’উটার মডে’ল পর্যালো’চনা করে বলেন, ঘূর্ণিঝ’ড়টির বাতা’সের আনুমা’নিক গতি হতে পারে ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। তবে আশ’ঙ্কার কথা হচ্ছে, ঘূর্ণি’ঝড় বা এর আগের পর্যায়’গুলো (লঘুচাপ ও নিম্নচাপ) সাগ’রে যত বেশি সময় ধরে থাকে, তত শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ পায়। তাই শেষ পর্যন্ত এটি যে সুপার ঘূর্ণি’ঝড়ে পরিণত হবে না, তা এখনই বলা যা’চ্ছে না।
দিনের তাপ’প্রবাহ শুক্র’বারও অব্যাহত ছিল। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুযায়ী-,সীতা’কুণ্ড”, চাঁ’দপুর, নোয়া’খালী, ফে’নী ও শ্রীম”ঙ্গল অঞ্চল’সহ ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদ্যু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাতাসে আর্দ্র’তার মাত্রা বেশি। এ কারণে গর’মের অ’নুভূতিও বেশি। তবে স্থলভা’গে বাতাসের গতিবেগ ৮-১২ কিলোমিটার থেকে ৩০-৪০ কিলো’মিটার পর্যন্ত অস্থায়ী’ভাবে দমকা আকারে বাড়ছে। এ কারণে কিছুটা স্বস্তি আছে বলে জানান আবহাওয়াবিদরা।
বরি’শাল ব্যুরো জা’নিয়েছে, গত ৬ দিন ধরে অসহ’নীয় দাব’দাহ চলছে। তীব্র গরমে সাধা’রণ মানুষের নাভি’শ্বাস উঠেছে। বিভা’গীয় আবহা’ওয়া অফি’সের সি’নিয়র পর্যবে’ক্ষক “মাসুদ রানা রুবেল” জানান, চলতি সপ্তা’হের ৫ দিনে বরি’শালের তাপমা’ত্রা ৩৬ ডিগ্রি’র নিচে নামেনি।
Comments
Post a Comment